আইনি তথ্য

রিফান্ড ও পেমেন্ট নীতি

সর্বশেষ হালনাগাদ: অক্টোবর ২০২৬

এই নীতি CORE Automation-এর সব সার্ভিসে প্রযোজ্য: অনলাইন দোকান (CORE Store)-এর প্যাকেজ, AI ব্যালেন্স, কাস্টম ওয়েবসাইট ও সফটওয়্যার, VPS সার্ভার, IP নম্বর ও SMS সার্ভিস, মাসিক রক্ষণাবেক্ষণ, হোস্টিং আর ডোমেইন। পেমেন্ট করার আগে অনুগ্রহ করে পুরোটা পড়ে নিন। পেমেন্ট করলে ধরে নেওয়া হবে, আপনি এই নীতি জেনে-বুঝে মেনে নিয়েছেন।

সংক্ষেপে

  • পরিশোধ করা টাকা ফেরত (রিফান্ড) দেওয়া হয় না।
  • কারণ, বেশিরভাগ সার্ভিস টাকা দেওয়ার আগে ফ্রি ট্রায়ালে ব্যবহার করে দেখা যায়। প্রতিটা প্যাকেজের দাম, সুবিধা আর মেয়াদও পেমেন্টের আগেই পরিষ্কার করে জানানো থাকে।
  • ভুল করে দুইবার বা বেশি টাকা গেলে সেটা ফেরত দেওয়া হয় (নিচে দেখুন)।

কেন রিফান্ড নেই

আমরা চাই আপনি পুরোপুরি জেনে-বুঝে, নিশ্চিত হয়ে পেমেন্ট করুন। সেজন্য:

  • ফ্রি ট্রায়াল: অনলাইন দোকানসহ আমাদের বেশিরভাগ সার্ভিস টাকা দেওয়ার আগে নির্দিষ্ট সময় ফ্রিতে ব্যবহার করে দেখতে পারেন। ট্রায়ালে কোনো কার্ড বা পেমেন্ট লাগে না।
  • পরিষ্কার তথ্য: প্রতিটা প্যাকেজের দাম, কী কী থাকছে, মেয়াদ আর সেটআপ ফি পেমেন্টের আগেই ওয়েবসাইটে, অ্যাপে বা কোটেশনে লেখা থাকে।
  • আগে জিজ্ঞেস করার সুযোগ: কোনো কিছু পরিষ্কার না হলে পেমেন্টের আগে WhatsApp, ফোন বা ইমেইলে জিজ্ঞেস করে নিতে পারেন।

তাই পেমেন্টের পর মত বদলানো, সার্ভিস ব্যবহার না করা বা মেয়াদের মাঝখানে বন্ধ করে দেওয়ার কারণে টাকা ফেরত দেওয়া হয় না।

যেসব পেমেন্ট ফেরতযোগ্য নয়

  • অনলাইন দোকানের (CORE Store) প্যাকেজ: মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে দোকান বন্ধ করলেও বাকি দিনের টাকা ফেরত হয় না।
  • AI ব্যালেন্স রিচার্জ: ব্যবহার না হওয়া ব্যালেন্স টাকায় ফেরত হয় না, সেটা আপনার দোকানেই থেকে যায়।
  • সেটআপ ফি (যেমন IP নম্বর বা SMS সার্ভিসের): পেমেন্টের পরপরই সেটআপের কাজ শুরু হয়ে যায়।
  • কাস্টম ওয়েবসাইট বা সফটওয়্যারের অগ্রিম ও কিস্তি: কাজ শুরু হলেই সময় আর শ্রম লেগে যায়।
  • মাসিক রক্ষণাবেক্ষণ, VPS সার্ভার, হোস্টিং আর ডোমেইন নবায়ন: সার্ভার আর ডোমেইন অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে কেনা হয়, তাই একবার কেনা হলে ফেরত দেওয়া সম্ভব নয়।

যে ক্ষেত্রে টাকা ফেরত বা সমন্বয় হবে

এগুলো রিফান্ড নয়, ভুলের সংশোধন। নিচের কোনোটা হলে বাড়তি টাকা আপনার:

  • একই বিলের জন্য দুইবার পেমেন্ট হয়ে গেলে।
  • বিলের চেয়ে বেশি টাকা পাঠালে।
  • আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কেটে গেছে, কিন্তু কারিগরি সমস্যার কারণে আমাদের কাছে পৌঁছায়নি।
  • আমাদের দিক থেকে কোনো কারণে পেমেন্ট করা সার্ভিস চালুই করা না গেলে।

এমন হলে পেমেন্টের ৭ দিনের মধ্যে ট্রানজেকশন আইডি (TrxID), যে নম্বর থেকে পাঠিয়েছেন আর তারিখসহ আমাদের জানান। যাচাইয়ের পর ৭ থেকে ১০ কর্মদিবসের মধ্যে টাকা যে মাধ্যমে পাঠিয়েছিলেন সেখানেই ফেরত দেওয়া হবে। আপনি চাইলে পরের বিলের সাথে সমন্বয়ও করা যায়। বিকাশ বা নগদের মতো অনলাইন গেটওয়েতে পেমেন্ট সম্পূর্ণ না হয়েও টাকা কেটে গেলে, সাধারণত সেই প্রতিষ্ঠানই নিজেদের নিয়মে টাকা ফিরিয়ে দেয়। দরকার হলে আমরা সাহায্য করব।

পেমেন্ট নীতি

  • সব দাম বাংলাদেশি টাকায় (৳)।
  • পেমেন্ট করা যায় বিকাশ, নগদ, রকেট, ব্যাংক বা অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়েতে, যেটা ওয়েবসাইট, অ্যাপ বা ইনভয়েসে দেখানো থাকে। শুধু সেখানে দেওয়া নম্বর বা অ্যাকাউন্টেই টাকা পাঠাবেন।
  • টাকা পাঠিয়ে ট্রানজেকশন আইডি (TrxID) জমা দিলে CORE টিম যাচাই করে সার্ভিস চালু করে, সাধারণত কয়েক ঘণ্টার মধ্যে। অনলাইন গেটওয়েতে পেমেন্ট করলে সাথে সাথে চালু হয়।
  • ফ্রি ট্রায়াল শেষে নিজে থেকে কোনো টাকা কাটা হয় না। প্যাকেজ বেছে পেমেন্ট করলে সার্ভিস চলতে থাকে, না করলে বন্ধ হয়ে যায়।
  • মাসিক বিলের শেষ তারিখ ইনভয়েসে লেখা থাকে। সার্ভার, হোস্টিং আর ডোমেইনের বিল নবায়নের ১৫ দিন আগে আসে।
  • শেষ তারিখের পর কয়েক দিন অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়। তারপরও বিল বকেয়া থাকলে সার্ভিস বা অ্যাডমিন প্যানেল সাময়িক বন্ধ থাকে, আর বিল পরিশোধ হলেই আবার চালু হয়।
  • দাম বদলাতে পারে। তবে পরিশোধ করা মেয়াদের মধ্যে দাম বদলায় না, নতুন দাম আগে জানিয়ে পরের নবায়ন থেকে কার্যকর হয়।
  • যেকোনো সময় সার্ভিস বন্ধ করতে পারেন। আমাদের জানালে পরের মেয়াদ থেকে আর বিল হবে না, আর পরিশোধ করা মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত সার্ভিস চলবে।
  • কাস্টম প্রজেক্টের অগ্রিম আর কিস্তির নিয়ম আপনার কোটেশনে লেখা থাকে।
  • যেকোনো পেমেন্টের রসিদ বা ইনভয়েস চাইলে আমরা দিই।

শর্তাবলি

আমাদের সার্ভিসের অন্য নিয়মগুলো শর্তাবলিতে বলা আছে।

যোগাযোগ

পেমেন্ট নিয়ে কোনো সমস্যা হলে বিকাশ, নগদ বা অন্য কোথাও অভিযোগ করার আগে আমাদের জানান, আমরা দ্রুত সমাধান করব। ইমেইল: coreautomationbd@gmail.com, ফোন ও WhatsApp: +880 1641-994404। ঠিকানা: ৬৪, নবীনগর নার্সারি গলি, রোড নং ১২, কামরাঙ্গীরচর, ঢাকা-১২১১, বাংলাদেশ।